E- দুইপাতা পত্রিকা ১০৯তম চতুর্থ সংখ্যা , ২০২৫ ।। কবি আবু রাইহান ।। সম্পাদক: নীলোৎপল জানা

 

E- দুইপাতা  ত্রিকা

১০৯তম চতুর্থ সংখ্যা , ২০২৫

সম্পাদক: নীলোৎপল জানা

                                           G-mail: lokpathduiipatapatrika78@gmail.com


১.

আত্মার গোপন শব্দহীন সংলাপ

আবু রাইহান

 

সম্মোহিত বৃক্ষের কাছে দাঁড়ালেই

শুনতে পাই জীবনের হারানো সুর

পাখির কণ্ঠে ঝরে আত্মার বিষণ্ন স্বর,

ছন্দ জেগে ওঠে পিপীলিকার ক্ষুদ্র পায়ে,

যেন বয়ে যাওয়া জীবনের অনন্ত প্রবাহ।

 

সাদা পাতা জুড়ে এখন কেবল ধূসর মগ্নতা,

তোমার নৈঃশব্দ্য হয়ে ওঠে আমার যন্ত্রনার প্রহর।

ধুলোয় মলিন হয়ে যাওয়া দিনগুলি

আমি খুঁজে ফিরি শিকড়ের আঁকাবাঁকা পথে-

যেখানে কবিতা নিজের শরীরে বহন করে

আমাদের আত্মার গোপন শব্দহীন সংলাপ।

 ২.

ফিরে আসি বিষাদের ভেতর দিয়েই

জানি-সবকিছুই মিথ্যে হয়ে যাবে একদিন,

ভালোবাসার স্পর্শও রয়ে যাবে বাতাসে,

অনিবার্য মৃত্যুতে-শোক হবে একটি নিঃশব্দ বিকেল,

যেখানে তোমার নাম কেউ আর উচ্চারণ করবে না।

তবু আমি হাঁটি,চেনা মৃত্যুর ছায়ার মধ্য দিয়ে,

হাঁটি বিষণ্ন নদীর পাড় ধরে,

একথা জেনেই যে কিছুই চিরস্থায়ী নয়।

আমার পায়ে লেগে থাকে ছিন্ন পত্র,

চোখের কোনে জমে ওঠে অতীতের বিষাদমাখা ধুলো,

তবুও আমি ফিরে আসি নবজন্মের কোনো অদৃশ্য ঘ্রাণে,

অথবা এক অচেনা আলোয়,যার কোনো উৎস নেই।

 

প্রতিবারই আমি যখন এক শূন্যতাকে স্পর্শ করি- 

মৃত্যু থেকে উঠে এসে    

আবারও বিষাদের বুকেই বপন করি    

নতুন করে বেঁচে থাকার স্বপ্ন সম্ভাবনা।

 ৩.

কিছু কবিতা থেকে যায় কালের বাতাসে

মহাকালের নদীতে একদিন আমাদেরও ডুব দিতে হবে-
তাই আলোকিত স্মৃতি রেখে দিতে চাই হৃদয়ের কষ্টি পাথরে খোদাই করে।
যেভাবে পাখি উড়ে যায়,তবু নীড়ে রেখে যায় উষ্ণতা,
তেমনি আমরা রেখে যাই স্পর্শ,শব্দ,আর কিছু অসমাপ্ত হাসি।

দিন শেষে সবকিছু ঝরে পড়ে-আভিজাত্য,অভিমান,ব্যস্ততা,বিভ্রম,
শুধু রয়ে যায়-মায়াময় স্পর্শের ছোঁয়া,বেদনার অশ্রু,আর ভালোবাসার কথা।

এসো,বলে ফেলি সব কথা,যা জমে আছে নিঃশব্দতার খামে-
এসো,মুছে দিই দূরত্বের ধুলো,চুমু খাই সময়ের কপালে,
যাতে সে আমাদের স্মরণে রেখে দেয় একটু বেশি উষ্ণতা।

মহাকাল কাউকে ছাড়ে না,
সে শুধু ডেকে নেয় একে একে সব-মাটি,মেঘ,মন,মানুষ-
তবু কিছু হৃদয়,কিছু কবিতা থেকে যায়
কালের বাতাসে ঘুরে বেড়ায়।

এসো জীবন-চলো,মৃত্যুকে ভয় না করে চিরন্তনের দিকে হাঁটি-
যেখানে ভালোবাসা,শিল্প ও সময় এক বিন্দুতে মিলিত হয়ে থাকে
অমর সৌন্দর্যের সম্ভাবনায়।

৪.

তোমার ছোঁয়ায় বইটি এখন একটি পৃথিবী

তোমার দেওয়া বইয়ের প্রথম পাতা খুলতেই—
দুপুর ঢুকে পড়লো ঘরে,জানালায় চিৎকার করে উঠলো রোদ।
তারপর পাতায় পাতায় জ্বলে ওঠে
পুড়ে যাওয়া বিকেল,এক এক করে।

নিঃশব্দ খুঁজতে গিয়ে দেখি কোলাহল থেমে আছে,
কিন্তু ভেতরে ভেতরে শুনি নদীর মতো লুকোনো শব্দেরা কাঁদে
যা উচ্চারণ হলেই হয়তো ভেঙে যাবে দেয়াল।

চাঁদ দেখতে গিয়ে দেখলাম সেখানে আজ পূর্ণিমা নেই-
আছে এক অদ্ভুত অন্ধকার,
যা উজ্জ্বল হয়ে ওঠে শুধু চোখ বন্ধ করলেই।

তোমার দেওয়া অর্ধেক লেখা কবিতার পঙ্‌ক্তিগুলি
এখন রক্তে মিশে গেছে,
এখন ঘুমাতে গেলেও তারা জেগে থাকে চোখের পাতায়।


বইটার ভাঁজে ভাঁজে এখন নিজেকেই খুঁজে পাই-
একটি মুখ, কয়েকটি রহস্যময় হাসি,
আর কিছু অপঠিত শব্দবন্ধ যেগুলো শুধু আমাকেই চেনে।

তোমার ছোঁয়া লেগে থাকা বইটি এখন একটি পৃথিবী।
এই বইটির ভেতর আমি একজন হয়ে আছি-
তোমার পুরোনো পাঠক,আর নিজের নতুন পাণ্ডুলিপি।

৫.

নক্ষত্র ভেবে ভুল করি ফেলি

মাঝ রাতে হঠাৎ ঘুম ভেঙ্গে গেলে...

অনুভবে জেগে ওঠে  প্রেমিকার উষ্ণ চুম্বন

আমি তাকে নক্ষত্র ভেবে ভুল করি ফেলি

রাত্রি নির্জন হলে সে নক্ষত্র জ্বলে ওঠে

তখন মায়াময় সব কবিতার জন্ম হয়

অপ্রাপ্তির সব দহন সরিয়ে আমি তখন

              এক অচেনা মানুষ

প্রনয়ের  মোহজালে লুপ্ত হয়ে যায়

                                     পাপ পুণ্যের বোধ

 এই আত্মধ্বংসের খেলায় প্রতিবারই আমি

                          হয়ে উঠি এক ব্যর্থ প্রেমিক

 প্রিয় ভালোবাসা হারানোর যন্ত্রণা

                    আমাকে ক্রমশ্য নিঃস্ব করে তোলে...

============================

 পাঁচটি কবিতার বিশদ আলোচনা

     আবু রাইহানের এই পাঁচটি কবিতা এমন এক যাত্রার আমন্ত্রণ দেয়, যেখানে পাঠক কখনো প্রবেশ করেন প্রকৃতির নিঃশব্দ বনে, কখনো মৃত্যুর ছায়ায় দাঁড়ানো জীবনের শূন্যতায়, আবার কখনো প্রেমের উষ্ণতা ও অপ্রাপ্তির দহনেও। প্রতিটি কবিতা আলাদা মাত্রা নির্মাণ করলেও, সবগুলোকে এক সুতোয় গেঁথে রাখে এক ধরনের নরম বিষণ্নতা এবং অস্তিত্বের গভীর উপলব্ধি। কবির ভাষা দৃশ্যত মৃদু, কিন্তু তার প্রভাব শক্তিশালী। এই আলোচনায় প্রতিটি কবিতার সৌন্দর্য, চিত্রকল্প, দার্শনিকতা ও আবেগিক মূল্য বিশদভাবে তুলে ধরা হল।

(১) “আত্মার গোপন শব্দহীন সংলাপ”

     প্রথম কবিতাটি শুরু থেকেই পাঠককে নিয়ে যায় এক সম্মোহিত পরিবেশে। “সম্মোহিত বৃক্ষের কাছে দাঁড়ালেই শুনতে পাই জীবনের হারানো সুর”—এই প্রথম লাইনেই তৈরি হয় এক রহস্যময় সুর, যেখানে প্রকৃতি যেন কথা বলে, তবে শব্দ দিয়ে নয়—অনুভূতির গোপন ভাষায়। কবি এখানে প্রকৃতিকে এক জীবন্ত, সংবেদনশীল সত্তা হিসেবে দেখেছেন।

পিপীলিকার ক্ষুদ্র পায়ে ছন্দ, পাখির কণ্ঠে আত্মার বিষণ্ন স্বর—এগুলো কেবল চিত্রকল্প নয়; এগুলো মানুষের ভেতরের নিঃশব্দ কথার প্রতিচ্ছবি। মনে হয়, প্রকৃতির ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ঘটনায়ও কবি নিজের ভেঙে যাওয়া সুর খুঁজে ফেরেন।

“সাদা পাতা জুড়ে এখন কেবল ধূসর মগ্নতা”—এই লাইনটি পাঠককে নিয়ে যায় এক থমথমে, চিন্তাশীল অবস্থায়। জীবনের সাদা পাতা ধীরে ধীরে হয়ে যায় ধূসর—অভিজ্ঞতা ও স্মৃতির ধুলোয় ঢেকে যায়।

শেষে এসে কবি বলেন—কবিতাই বহন করে আত্মার গোপন সংলাপ। অর্থাৎ, কবিতা এখানে শুধু প্রকাশ নয়; এটি মানুষের নীরব যন্ত্রণার বাহক, যা শব্দহীন তবু ভীষণ শক্তিশালী। এ কবিতার সৌন্দর্য নীরবতায়, আর তার আলো জন্মায় উপলব্ধির গভীরতায়।

(২) “ফিরে আসি বিষাদের ভেতর দিয়েই”

     দ্বিতীয় কবিতায় জীবনের ক্ষয়, মৃত্যু এবং অস্থায়িত্বের প্রশ্নগুলো উঠে আসে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়—কবি শুধু মৃত্যুর ভয়ের কথা বলেননি; বরং মৃত্যুর মধ্য দিয়েই আবার জীবনের দিকে ফিরে আসার আভাস দিয়েছেন।

“জানি—সবকিছুই মিথ্যে হয়ে যাবে একদিন”—এই ঘোষণা যেমন কঠিন বাস্তব, তেমনি গভীর দার্শনিক মনে করিয়ে দেয় বৌদ্ধিক অনিত্যতা। ভালোবাসার স্পর্শ বাতাসে থেকে যাবে, আর অনিবার্য মৃত্যু হবে এক নিঃশব্দ বিকেল—এ চিত্রকল্পে রয়েছে নরম বেদনা।

তবু কবি থেমে যান না।
তিনি হাঁটেন মৃত্যু-ছায়ার মধ্য দিয়ে, বিষণ্ন নদীর পাড় ধরে। মনে হয়—জীবনকে তিনি অনুভব করেন একটি নদীর মতো, যা কখনো শান্ত, কখনো ব্যথায় পূর্ণ, কিন্তু চলমান।

সবচেয়ে শক্তিশালী লাইনটি—
“মৃত্যু থেকে উঠে এসে / আবারও বিষাদের বুকেই বপন করি / নতুন করে বেঁচে থাকার স্বপ্ন সম্ভাবনা।”

এখানে অস্তিত্ববাদী এক নবজন্মের থিম রয়েছে। বিষাদই কখনো কখনো জীবনের উপাদান হয়ে ওঠে—যা মানুষকে তৈরি করে, ভাঙে, আবার গড়ে। কবিতাটি পাঠককে বিষাদের অন্ধকারে রেখেও এক আলোর আভাস দেয়—যা আনন্দের অনুভূতি জাগায়।

(৩) “কিছু কবিতা থেকে যায় কালের বাতাসে”

     এই কবিতাটি সময়, স্মৃতি আর মানুষের রেখে যাওয়া স্থায়ী চিহ্ন নিয়ে রচিত। এখানে জীবনের ক্ষণস্থায়িত্বকে কবি দেখেছেন নিঃশব্দ সত্য হিসেবে, কিন্তু তাতে কোনো নৈরাশ্য নেই; বরং আছে আলোকময় স্মৃতি রেখে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা।

“মহাকালের নদীতে একদিন আমাদেরও ডুব দিতে হবে”—এই লাইন পাঠককে মনে করিয়ে দেয়—মৃত্যু অনিবার্য, কিন্তু তার মধ্যেও মানুষ কিছু না কিছু রেখে যায়। পাখি নীড়ে রেখে যায় উষ্ণতা—এ রূপক পড়ে মনে হয়, আমরাও হয়তো আমাদের ভালোবাসা, স্পর্শ, হাসি—এসব রেখে যাবো আমাদের প্রিয় মানুষদের স্মৃতিতে।

কবির একটি উল্লেখযোগ্য উপলব্ধি—
দিন শেষে সবকিছু ঝরে পড়ে: আভিজাত্য, ব্যস্ততা, বিভ্রম—কিন্তু ভালোবাসার স্পর্শ রয়ে যায়।
এই সত্য মানুষের হৃদয়ে মৃদু আনন্দ জাগায়, কারণ এটি ভালোবাসার চিরন্তনতার দিকে ইঙ্গিত দেয়।

শেষে কবি সময়কে চ্যালেঞ্জ করে বলেন—এসো জীবন, চলো মৃত্যু কে ভয় না করে চিরন্তনের দিকে হাঁটি। এখানে মৃত্যু আর ভয় নয়; বরং এক মহাসম্ভাবনার দরজা, যেখানে প্রেম, শিল্প ও সময় একবিন্দুতে এসে মিলেছে।

এই কবিতার ভাষা দার্শনিক, কিন্তু মোলায়েম। পাঠকের মনে এটি এনে দেয় স্থিরতা, শান্তি এবং গভীর প্রশান্তির অনুভূতি।

(৪) “তোমার ছোঁয়ায় বইটি এখন একটি পৃথিবী”

     চতুর্থ কবিতাটি প্রেমিক-পাঠকের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা নিয়ে। এখানে একটি বই শুধু বই নয়; এটি হয়ে ওঠে একটি পুরো পৃথিবী—কারণ এতে লেগে আছে প্রিয়জনের স্পর্শ, প্রিয় স্মৃতি, এবং অর্ধেক লেখা কবিতার গোপনতা।

“দুপুর ঢুকে পড়লো ঘরে”—এই চিত্রটি এতই প্রাণবন্ত যে পাঠক তৎক্ষণাৎ দৃশ্যটি কল্পনা করতে পারেন। বইয়ের পাতায় পাতায় জ্বলে ওঠে পুড়ে যাওয়া বিকেল—যা মনে করায় অতীতের দীর্ঘ স্মৃতি, দগ্ধ অনুভূতি এবং নস্টালজিয়ার মায়া।

চাঁদ দেখতে গিয়ে পূর্ণিমার বদলে অদ্ভুত অন্ধকার পাওয়া—এটি একটি মনস্তাত্ত্বিক প্রতীক। মানুষের ভেতরের আলো কখনো বাইরে নয়; বরং চোখ বন্ধ করলেই তা উজ্জ্বল হয়—এ উপলব্ধি এক গভীর মানসিক সত্য।

বইয়ের ভাঁজে খুঁজে পাওয়া নিজের মুখ, রহস্যময় হাসি, অপঠিত শব্দ—এসব পাঠককে মনে করিয়ে দেয় একটি পুরোনো প্রেমপত্র, একটি বিশেষ উপহার, বা কোনো স্মৃতিধারী বস্তু যা মানুষকে বহু বছর পরেও স্পর্শ করে।

এই কবিতার আবেগভরা ভাষা পাঠককে নরমভাবে আলিঙ্গন করে। এতে কোনো নাটক নেই, শুধু মৃদু, দহনমাখা উষ্ণতা—যা প্রেমের সত্যিকারের রূপ।

(৫) “নক্ষত্র ভেবে ভুল করি ফেলি”

     পঞ্চম কবিতাটি প্রেম, অপ্রাপ্তি, আত্মবিস্মৃতি এবং তীব্র আবেগের প্রবাহে ভরপুর। মাঝরাতে ঘুম ভেঙে হঠাৎ প্রেমিকার চুম্বন অনুভব করা এবং তাকে নক্ষত্র ভাবা—এ রূপক পাঠককে মুহূর্তেই আকাশের গভীর আলোতে নিয়ে যায়।

এখানে প্রেমিকার স্পর্শ হলো আলো—যা অন্ধকারকে দূর করে। আবার এই আলোই মায়া—যা কবিকে লুপ্ত করে দেয় নিজের মধ্যেই।

নক্ষত্র বলতে আমরা যা বুঝি—দূরত্ব, আলো, রহস্য—ঠিক তেমনি প্রেমিক-প্রেমিকার সম্পর্কও কখনো দূরত্বে, কখনো জ্বলজ্বলে, কখনো দুর্বোধ্য।

“অপ্রাপ্তির সব দহন সরিয়ে আমি তখন এক অচেনা মানুষ”—এই লাইনটি প্রেমের আত্মধ্বংসী রূপকে তুলে ধরে, যেখানে মানুষ নিজেকে হারিয়ে ফেলে যা সে পেতে চায় তার কাছে।

শেষের দুঃখময় উচ্চারণ—“প্রিয় ভালোবাসা হারানোর যন্ত্রণা আমাকে নিঃস্ব করে তোলে”—এটি এক গভীর মানবিক অনুভূতি। এই কবিতায় বেদনা রয়েছে, তবে তাতে রয়েছে সৌন্দর্যও—কারণ অনুভূতির সত্যতা তাকে উজ্জ্বল করেছে।

     এই পাঁচটি কবিতাকে একত্রে পড়লে স্পষ্ট হয়—কবি মানুষের জীবনের গভীরতম অনুভূতিগুলিকে শব্দের পোশাকে ধরতে পেরেছেন। কোথাও প্রকৃতির নীরবতা, কোথাও মৃত্যুর সত্য, কোথাও প্রেমের দহন—সব মিলিয়ে তাঁর কবিতায় তৈরি হয়েছে অন্তর্মুখী কিন্তু স্নিগ্ধ এক বিশ্ব।

এই কবিতাগুলো পাঠককে আনন্দ দেয় কারণ—

  • ভাষা সহজ কিন্তু চিত্রকল্প গভীর,
  • বিষাদের মধ্যেও থাকে আলো,
  • প্রেমের গভীরতা প্রকাশ পায় সত্যতার সঙ্গে,
  • আর প্রতিটি কবিতা মানুষের নিজস্ব অভিজ্ঞতার সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করে।

এ কারণেই আবু রাইহানের এই পাঁচটি কবিতা—বেদনার ভেতর দিয়ে পাঠককে আনন্দ ও সৌন্দর্যের গভীরে নিয়ে যায়।

 

 


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ