E-দুইপাতা পত্রিকা
১১৬তম দ্বিতীয় সংখ্যা, ২০২৬
সম্পাদক: নীলোৎপল জানা
G-mail: lokpathduiipatapatrika78@gmail.com
অপর্ণা দেওঘরিয়া ব্যানার্জী
১.
অহংকার
মানুষের বৃত্ত বড় হলেই অহংকারে
ছেটে ফেলে অবাঞ্চিত ডানা,
হয়তো চিত্ত শুদ্ধি তাতে।
কিছু চুপকাথারা সমর্পনের অস্থির
ভাবনায় আগুন খোঁজে উত্তেজনায়,
হয়তো দিশেহারা প্রেমে সেজে উঠে
কোন কাঞ্চন কামিনীর শীরেরর ঢেউয়ে।
আনন্দে উন্মাদনায় লোভে গোপন অমৃতে ভালোবাসায়।
২.
বিশ্বাস
এখন চারিদিকে অন্ধকার, শোষণ শাসন ঈর্ষময় স্রোত,
গোপন শূন্যতায় কোথাও কৃষ্ণময় প্রেম বিশ্বাস সত্যাশ্রয়ী গান,
এখন নগ্নতা ব্যভিচার বিষ অনুন্ধান ধুলোময় পৃথিবী।
বিশ্বাসের ফাঁটলে ভাঙনে দানাবাঁধে অসুখ,
চিরন্তন প্রেমে যদি আলোজ্বলে
দর্পণে দেখে নেবো অসূয়া নরকবাস।
৩.
অস্থির সময়
বড় অস্থির সময়,
প্রতিমুহূর্তে সন্ত্রাসের দীর্ঘশ্বাস,
চারিদিকে অসংখ মঞ্জরী ঢেকে ফেলে স্বপ্ন সৌভাগ্য।
প্রতিদিন দুর্বিপাকে ঢেউ আছড়ে পড়ে
জীবন যাপনে,
তবুও প্রতিটি পলকে মানুষ অপেক্ষার করে
নিয়তির শুভময় ভোর।
৪.
সন্ধ্যার ঈশ্বর
সন্ধ্যার ঈশ্বর যেন পাথরের দোসর
ঋদ্ধ জ্যোর্তিময়,
চোখ কান মুখ কিছুই নেই,
তবে মাধুর্যময় গলা আছে,
স্বপ্নময় মুগ্ধতার যেন বিদ্যুৎ খেলে যায়
হৃদয়ে মনে কেনো যে ডেকে ফেলি
পাগলের মত ভয়ে শূন্যতায় বিবাগী মনে,
গোপন কান্নায় ঝরে পরে অপমান অবহেলা,
বোধহীন সংলাপের আঘাতে আধার নামে, নরক ধামে।
তবে কি অহরহ বিদায়ের লক্ষ্ণণগন্ডিতে
কত ঋণ,নিঃস্ব রিক্ত কন্ঠলগ্ন বিদ্রুপ,
সব স্মৃতি কি আগুনে পোড়ে
সত্যের দাগ কি মুছে যায় অন্বেষণে
নিশ্চিহ্ন করা যায় কি সেই মুখ?
নিত্য সেবায় সন্ধ্যায় যেন রাধবিনোদ হাসে প্রজ্জ্বলিত,শান্তি সুধায়,
হে আমার সন্ধ্যার ঈশ্বর আলো প্রেমে জীবন জুড়ে,
কি ভাবে শক্তিসেলে বিধ্বস্ত সুখ শান্তি প্রেম কেড়ে নিলে ঢেউয়ের তরঙ্গে,
সব টুকু নিয়ে সুখী হলে আয়েসের দয়াদাক্ষিণ্যর অগ্নিবাণে,
হে রাজরাজেশ্বর সন্ধ্যার ঈশ্বর।
৫.
বকুল মেয়ে
তুমি আকাশ জুড়ে উচ্ছলতায় নীলগগনে
আমি তোমার বকুল মেয়ে হয়ে উঠি মনকেমনে।
মান অভিমান যুদ্ধে গোপন ঘরে
কে যেন কখন মন আলো করে।
হাতের মধ্যে সুখ শান্তি প্রেম বিষন্নতায়
গল্প হয়ে আসে উড়ে বকুলমেয়ে শাখায় পাতায়।
উথাল-পাতাল সংগ্রামে দুখ সুখে
অজানা ভয় যেন জড়িয়ে ধরে বুকে।
রৌদ্রছায়ার ঘূর্ণিঝড়ে টহলের গানে প্রভাত আসে
আহা মধুর সুখে গীতবিহাত হাতে
বকুলমেয়ে সহস্রধারায় আলোরস্নানে হাসে।
৬.
শীত
মাঝে মাঝে তোমার শীত বেড়ে যায়,
কি ভাবে কার রৌদ্রময় প্রেমিক পুরুষ হয়ে উঠো,
ঢেউয়ের উচ্ছ্বাসে
উষ্ণ ঠোঁট ছুঁয়ে আলোড়নে নিরবধি সাজিয়ে নিচ্ছো,
সে তোমার সুখ,বন্ধন বাসনা,
তাকে ছুঁয়েই তোমার কবিতা গাছ পোয়াতি হচ্ছে,
ভালোবাসার মরমিয়া সাধে।
=============================
0 মন্তব্যসমূহ